বেনজীর আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধু মানেই হচ্ছে বাংলাদেশ। তিনি (বঙ্গবন্ধু) বাংলাদেশের সংবিধানের অংশ। বঙ্গবন্ধু আমাদের এ দেশ দিয়েছে। পতাকা-মানচিত্র ও বাংলা ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে।
হুঁশিয়ারি জানিয়ে আইজিপি বলেন, আমার দেশের স্বাধীনতা, সংবিধান, রাষ্ট্র ও জনগণকে কেউ স্পর্শ করতে পারবে না। ১৮ কোটি মানুষ ও রাষ্ট্র মিলে আমরা সবকিছু মোকাবিলা করবো। রাষ্ট্রপক্ষরা শক্তিশালী। রাষ্ট্রের বিরোধিতা করার দুঃসাহস আপনারা দেখাবেন না। রাষ্ট্রের বিরোধিতা মানে হচ্ছে ১৮ কোটি মানুষের বিরোধিতা।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা বারবার দেখতে পাচ্ছি টেনে-হিঁচড়ে দেশকে পেছনে নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা। দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ১৮ কোটি মানুষ ঐক্যবদ্ধ। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ।
দেশের মানুষের আলেমদের প্রতি শ্রদ্ধার কথা স্মরণ করে বেনজীর আহমেদ বলেন, দেশের মানুষের ঈমাম-আলেমদের প্রতি অনেক শ্রদ্ধা রয়েছে। আলেম, সুফি-সাধকরা এ অঞ্চলের ধর্ম প্রচার করেছেন। তারা কখনোই শক্তি বা তরবারি ব্যবহার করে ধর্ম প্রচার করেনি। ভালোবাসার মাধ্যমে তারা আল্লাহ তাআলার বাণী প্রচার করেছেন। হাজার হাজার, লাখ লাখ মানুষকে ইসলাম ধর্মে গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেছেন।
এক শ্রেণির মানুষ এদের উদ্দেশ্য কী এমন প্রশ্ন তুলে আইজিপি বলেন, ধর্মকে পুঁজি করে অনেকেই রাজনীতিতে জায়গা নিতে চান। দেশটাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মৌলবাদী তকমা দিতে চান। এ এক শ্রেণির মানুষরা কোন উদ্দেশে কাজ করছেন। আমাদের দেশ তো মৌলবাদী দেশ না। বাংলাদেশ শান্তি প্রিয় দেশ। এ এক শ্রেণির মানুষ কার ইশারায়, কোন ইঙ্গিতে, কার লক্ষ্যে ও কোন এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য দেশকে মৌলবাদী তকমা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের সভাপতিত্বে বক্তব্য অনুষ্ঠানে আরও রাখেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলাল উদ্দিন আহমেদ।

