শাহীন রেজা টিটু – ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : তৃণমূল রাজনীতির দীর্ঘ পথচলার অভিজ্ঞতা ও সংগঠনের ভিত মজবুত করার আত্মবিশ্বাস নিয়ে এবার তিনি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের নীতিগত সিদ্ধান্তের দিকে এগোচ্ছেন।
বাঞ্ছারামপুরের শিক্ষা অঙ্গনের পরিচিত মুখ, বাঞ্ছারামপুর এস এস পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক জনপ্রিয় শিক্ষক মরহুম আব্দুল হাকিম (মাক্কু মাস্টার)-এর একমাত্র কন্যা নাহিদ সুলতানা শৈশব থেকেই সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠেন। শিক্ষাগতভাবে ডিগ্রিধারী হওয়া সত্ত্বেও তিনি ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার নয়, বেছে নিয়েছেন জনসেবার পথ—রাজনীতি।
বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর বাঞ্ছারামপুর উপজেলা শাখার মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল পর্যায়ে দলকে সুসংগঠিত করা, নারী কর্মীদের সম্পৃক্ত করা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি নিজস্ব অবস্থান শক্ত করেছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মাঠপর্যায়ে তার গ্রহণযোগ্যতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও ধারাবাহিক পরিশ্রমই তাকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। বিশেষ করে সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ব্যাপক গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও নারী সমাবেশ আয়োজন করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। তার নেতৃত্বে নারী সংগঠনের বিস্তার এবং কর্মীদের সক্রিয়তা নতুন গতি পায়।
বাঞ্ছারামপুরে সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নাহিদা সুলতানা ইতোমধ্যে তৃণমূলের আস্থা অর্জন করেছেন। অনেকেই মনে করছেন, দলীয় মনোনয়ন পেলে সংরক্ষিত মহিলা আসনে নারীদের কণ্ঠস্বর আরও শক্তিশালী ও কার্যকরভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হবেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে নাহিদা সুলতানা বলেন, “দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে, তাহলে আমি অবশ্যই মনোনয়ন ফরম তুলব। দীর্ঘদিন ধরে দল ও মানুষের জন্য কাজ করেছি। ভবিষ্যতেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়নে কাজ করতে চাই।”
তিনি সকলের সমর্থন ও দোয়া কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পাশাপাশি সংরক্ষিত এ আসনের আওতায় রয়েছে কুমিল্লা জেলার তিনটি থানা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আসনকে ঘিরে ইতোমধ্যে জেলায় নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে—কে পাচ্ছেন কাঙ্ক্ষিত মনোনয়ন, আর কে হবেন নারীর প্রতিনিধিত্বের নতুন মুখ।
..