জহিরুল হক বাঞ্ছারামপুর: আমাদের স্বাধীনতার সার্বভৌমত্বকে ফ্যাসিস্টরা বড় হুমকির মুখে ফেলেছিল কারণ তারা জনগণকে বিভক্ত করেছিল। তারা দেশকে বিদেশি কর্তৃত্বের মধ্যে নিয়ে গিয়ে নিজেদের গদি রক্ষা করতে চেয়েছিল। তার বিপরীতে ৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের দুদিনের মাথায় বেগম খালেদা জিয়া স্পষ্ট করে বললেন, বিভক্তি কিংবা প্রতিশোধ-প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। যে দেশের জনগোষ্ঠী ঐক্যবদ্ধ থাকে না, সে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সব সময় হুমকির মধ্যে থাকে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি ও যুগপৎ আন্দোলন সমর্থিত জোট প্রার্থী জোনায়েদ সাকির সমর্থনে আয়োজিত বিশাল জনসভায় সাকি এসব কথা বলেন।
জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘যদি শাসনব্যবস্থা বদলাতে চান, তবে আগামী ১২ তারিখ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে শহীদের রক্তস্নাত জুলাই জাতীয় সনদকে অনুমোদন করবেন। আর যদি রাষ্ট্র ব্যবস্থা মেরামতের কাজ এগিয়ে নিতে চান, তবে ৩১ দফা সংস্কারের পক্ষে যুগপৎ আন্দোলনের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে। বাঞ্ছারামপুরের যুগপৎ প্রার্থী হচ্ছে মাথাল মার্কা। মাথালই হচ্ছে বাঞ্ছারামপুরের ধানের শীষ।’
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য এম এ খালেক পিএসসি।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ কে এম ভিপি মুসা ও সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ আকাশের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রফিক শিকদার ও জিয়া উদ্দিন জিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেলাল সরকার তুহিন এবং জেলা বিএনপির সদস্য সালে মুসা।
..