সারওয়ার আলম মুকুল: সারওয়ার আলম মুকুল, কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি বহু স্বপ্ন নিয়ে জীবন ও রক্তদিয়ে ফেসিবাদী শাসনের পতনের পর মানুষ আশায় বুক বেঁধেছে
অবাধ সুষ্ঠু গ্রহনযোগ্য নির্বাচনের মধ্যমে গঠিত হবে তাদের পছন্দের সরকার। সেই নির্বাচন নিয়ে পিছু ছাড়ছেনা সংশয়, সন্দেহ, অনিশ্চয়তা।আর মাত্র ৪দিন পর নির্বাচন তবুও কাউনিয়া-পীরগাছার হাটে ঘাটে মাঠে সাধারণ মানুষের মাঝে নতুন করে আলোচনায় নির্বাচন কি ১২ ফেব্রুয়ারী হবে? ঢাকায় আন্দোলনের চিত্র দেখে সাধারন মানুষের মাঝে
সন্দেহের দানা বেধেছে। সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে বিএনপি, এনসিপি, জাতীয় পাটি সহ বিভিন্ন দল ও সতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচনী মাঠ চষেবেড়াচ্ছেন।
গত ১৭ বছর ধরে রংপু-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনটি ছিল আওয়ামী লীগের দখলে। সেই সময়য়ে বানিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি শোনা গেলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন খুবই সামান্য। তিস্তা নদী বেষ্টিত এই দই উপজেলা ও একটি পৌরসভায় উল্লেখযোগ্য কোন শিল্প কারখানা গড়ে উঠেনি, সৃষ্টি হয় নি কর্মসংস্থান। ফলে খেটে খাওয়া মানুষ ও শিক্ষিত যবি সমাজ আজও দারিদ্রতা ও বেকারত্বের বেড়াজালে বন্দি। এই আসনে বারবার জনপ্রতিনিধি বদলেছে কিন্তু বদলায়নি সাধারন মানুষের জীবনমান। ভোট হয় সরকার আসে সরকার যায় অথচ এলাকার কাঙ্খিত উন্নয়ন আজও কাগজেই সীমাবন্ধ।
এই আসনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পাটির এমপি বেশী বার নির্বাচিত হয়েছেন, বিএনপি অল্প সময়ের জন্য একবার ছিল। দৃশ্যত তেমন কোন উন্নয়ন নেই এই আসনে। দেশ জুরে ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্থান থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তঃদলীয় সংঘাতের যেসব খবর পাওয়া যাচ্ছে, তা উদ্বেগজনক। নির্বাচনী মাঠে বর্তমানে প্রধান দুই দলের মাঝে কথার লড়াই চলছে। ইতো মধ্যে প্রধান দই দলই তাদের নির্বাচনী ইজতেহার প্রদান করেছে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে এই আসনে জামায়াত সমর্থীত এনসিপির আখতার হোসন, বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা ও জাতীয় পাটির আবু নাসের মোঃ মাহাবুবার রহমান ভোট দৌড়ে সমান তালে এগিয়ে যাচ্ছেন।
তবে বিগত নির্বাচন গুলোতে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পাটির প্রার্থী সাধারন ভোটর দেখেছে তাই তরুন ভোটার সহ নাধারন ভোটার নতুন কে দেখতে চায় সেই হিসেবে এনসিপির আকতার হোসেন অনেকটা এগিয়েছে। আখতার হোসেন কে দিয়ে পরিবর্তনের নতুন দিগন্ত দেখতে চায়। প্রতিটি প্রার্থী তাদের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট চাইছেন। এতো কিছুর পরও সাধারন ভোটরের মাঝে নির্বাচনী অমেজ দেখা যাচ্ছে না।
নির্বাচন প্রশ্নে সাধারন মানুষ এখনো সরকারের প্রতি আস্থা রাখতে পারছে না। রাজনৈতিক দলগুলোর পরস্পরবিরোধী অবস্থানের কারণে রাজনীতিতে অস্থিরতা এবং নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। রাজনীতির বাইরে সাধারণ মানুষের মাঝে নির্বাচনি আবেগ তেম দেখা যাচ্ছে না। শিক্ষিত সচেতন জনগণ সঠিক সময়ে সুষ্ঠু নির্বাচন প্রতাশা করছেন।প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এর প্রতি সাধারন মানুষের বিশ্বাস ও আস্থা তিনি সঠিক সময়েই সুষ্ঠু অবাধ ও গ্রহন যোগ্য নির্বাচন দিয়ে নজির সৃষ্টি করবেন।
..