নাটোরে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে বাড়ি-দোকান ভাংচুর আহত ১০, আটক ৪

নাটোরে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে বাড়ি-দোকান ভাংচুর আহত ১০, আটক ৪
রাজশাহী প্রতিনিধি: নাটোরের বড়াইগ্রামের ধানাইদহ গ্রামে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের সংঘর্ষে ১০ জন আহত, ১২টি বাড়ি ও দোকান ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। আহতদের মধ্যে একজন বিএনপি ও ৯ জন জামায়াতের নেতাকর্মী বলে জানা গেছে।এঘটনায় জড়িত ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
  জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহাব ও ইউএনও জান্নাতুল ফেরদৌস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার বিকালে ধানাইদহ বাজারে জামায়াত কর্মী সাকিব ও সাব্বিরকে মারপিট করে স্থানীয় বিএনপির কর্মীরা। শনিবার সকালে ধানাইদহ বাজারে আপোষ মিমাংসার জন্য বসেন স্থানীয়রা।উভয় পক্ষের নেতাদের মধ্যে আলোচনা চলাকালে  সকাল ১০টার দিকে গ্রাম থেকে উভয় দলের লোকজন বাজারে আসার সময় তর্কবির্তকের এক পর্যায়ে সংর্ঘষ বাধে।
সংঘর্ষে নগর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর হাসিনুর রহমান, ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আসাব সরকার, জামায়াত কর্মী রফিকুল ইসলাম, সাকিব, সাব্বির, ইব্রাহীম খলিল সৈয়দ, মনির হোসেন, সাইদুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিনের স্ত্রী গৃহবধূ নাজমা বেগম সহ ১০ জন আহত হয়।
 গুরুতর আহতদের মধ্যে দুজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে  এবং অন্যদের ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে  ধানাইদহ গ্রামের জামায়াত কর্মী সানোয়ার হোসেন, ইব্রাহীম খলিল সৈয়দ, আব্দুস সোবহান, সিরাজুল ইসলাম, আল আমিন, মোজাম্মেল হোসেন, মনোয়ার হোসেন, জনাব আলী, জসিম উদ্দিনের বাড়ি ও ধানাইদহ বাজারে ইব্রাহীম খলিল সৈয়দের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করা হয়। সংঘর্ষের সময় কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এ ঘটনার পর দায়ীদের গ্রেপ্তার সহ নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা বিধানের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা জামায়াত।বড়াইগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান ঘটনার জন্য বিএনপিকে দায়ী করে বলেন, নির্বাচনে বিএনপির জয়ী  হয়েইছে ভিন্ন মতের মানুষের উপরে যে হামলা নির্যাতন শুরু করেছে তা কারো কাম্য নয়।
নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহাব বলেছেন, পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ইতোমধ্যে পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে।
..

Leave a reply

Minimum length: 20 characters ::