সমাচার ডেস্ক: রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব হিসেবে আবারও নিয়োগ পেয়েছেন মো. সরওয়ার আলম। মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এই কর্মকর্তাকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে তা বাতিল করা হয়।
এখন আবার সরওয়ার আলমকে এক বছর মেয়াদে সচিব পদমর্যাদায় এই পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব পুনরায় নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে তারেক রহমান সরকার রাষ্ট্রীয় রীতিনীতি সাংবিধানিক যে নিয়ম কানুনগুলো, সেগুলো রক্ষা করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক ও আলোচক মোস্তফা ফিরোজ। তিনি মনে করেন, খুব সহসায় রাষ্ট্রপতিকে সরানো হচ্ছে না।
আজ বুধবার নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘ভয়েস বাংলা’য় এক ভিডিওতে এমন মন্তব্য করেন মোস্তফা ফিরোজ।
তিনি বলেন, ‘বিষয়টা খুব পরিষ্কার। নতুন সরকার বলতে পারত, যেহেতু ইউনূস সরকার রাষ্ট্রপতির প্রেস ডিপার্টমেন্ট বন্ধ রেখেছে আমরা কেন তা চালু করব। কিন্তু সরকার তা করেনি। তার মানে রাষ্ট্রীয় রীতি-নীতি, সাংবিধানিক যে নিয়ম কানুনগুলো সেটা রক্ষা করতে চায় তারেক রহমানের সরকার। এতেই বোঝা যাচ্ছে খুব সহসা রাষ্ট্রপতি সরছেন না।’
রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যেমে বর্তমান সরকার অন্তর্বর্তী সরকারকেও একটি বার্তা দিয়েছেন বলে মনে করেন মোস্তফা ফিরোজ। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস যে অন্যায় কাজ করেছেন সেই অন্যায়ের একটা প্রতিবাদও জানানো হলো সরওয়ার আলমকে রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব হিসেবে নিয়োগের মধ্য দিয়ে।’
মোস্তফা ফিরোজ বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলছিলেন, বিএনপি চাইলে আমি থাকতে পারি আর না চাইলে চলে যাব। তিনি আশাবাদী যে তারেক রহমানের সরকার তাকে অপমান করবে না।
তাকে মর্যাদা দেবে, গুরুত্ব দেবে। সেই গুরুত্ব বিবেচনায় সরওয়ার আলমকে এক বছরের জন্য রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার মানে হচ্ছে, রাষ্ট্রপতি অপসরণ করা এটার ব্যাপারে বিএনপির এখন খুব একটা আগ্রহ নেই।’
..