সমাচার ডেস্ক: ড. ইউনূস আজ মঙ্গলবার শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পাকে ডেকেছিলেন। মূলত হাদির সন্তানকে দেখাশোনা করার যে সরকারি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ড. ইউনূস, সে জন্যই শম্পাকে যমুনায় ডেকেছিলেন।
বিষয়টি শম্পা নিজেই সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার রাবেয়া ইসলাম শম্পা বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্যার আজকে তার বাসভবনে ফিরনাসকে এবং আমাকে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য ডেকেছিলেন ১২টায়।
সেই আসা হলো মাঝখানে আমার ইনকিলাবের ভাইবোন গুলোকে নির্যাতনের স্বীকার হতে হলো। এতে স্পষ্ট বোঝা যায় এক পক্ষ এখন ও সরকারের মধ্যে যারা হাসিনার দোসর।’
ওসমান হাদি বিষয়ে ড. ইউনূসের প্রচেষ্টা সম্পর্কে বলেন, ‘যাই হোক আসার উদ্দেশ্য জানা ছিল না পরে বুঝতে পেরেছি ফিরনাস এর দেখাশোনার জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্যার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সেগুলোর কাগজপত্র হস্তান্তর এর জন্য আমাদের আসতে বলা। আমি তাকে স্পষ্ট করে বলেছি আপনি কি আমার স্বামীর বিচার এর ব্যাপারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন না হলে আমার ফিরনাস কোনো কিছুই গ্রহণ করবে না।
তিনি আমাকে আস্বস্ত করেছেন যে তার হাতে যত কিছু আছে, ইনফ্যাক্ট জাতিসংঘের তত্বাবধানে যেভাবেই হোক এর সর্বশেষ পর্যন্ত সে যাবে হাদিকে সঠিক বিচার পাইয়ে দিতে।’
ইউনূসের সঙ্গে আলাপকালে চাকরির বিষয়ে হাদির স্ত্রী বলেন, ‘আমার ভাইবোনগুলোর ওপরে যে হামলা করা হয়েছে তাতেও তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। আমার জীবন, চাকরি এগুলোর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করাতে আমি বলে দিয়েছি যে, আমি আমার নিজের যোগ্যতা দিয়ে জব নেব। আপনি ফিরনাসের জন্য করেছেন অনেক শুকরিয়া।
তিনি পুরোপুরি আশ্বাস দিয়েছেন তিনি আন্তর্জাতিকভাবে এই হত্যার তদন্তের ব্যাপারে সর্বোচ্চ সহায়তা করবেন। সে আশ্বাস পেয়ে এর পরেই আমি ওখান থেকে এসেছি
..