মোঃ মুকুল হক,চাঁপাইনবাবগঞ্জ: রাজার জন্য যে আইন,সাধারণ মানুষের জন্যও সেই একই আইন কার্যকর করতে চান তারা। একজন সাধারণ মানুষ যে অপরাধ করলে যে শাস্তি পাবে,একই অপরাধ যদি দেশের প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্ট করে—তাহলেও কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’’
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন,“যে দেশে ন্যায়বিচার নেই,সে দেশে শান্তি থাকতে পারে না। আমরা সেই ন্যায়বিচার কায়েম করতে চাই। আইন যখন সবার জন্য সমান হবে,তখন চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির পথ বন্ধ হয়ে যাবে। সেদিন চাঁদাবাজদেরও ধরে এনে দেশের কাজে লাগানো হবে,তারাও দেশ গড়ার অংশীদার হবে।”
তিনি বলেন,‘‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দুটি ভোট হবে। এদিন জনগণকে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে। হ্যাঁ মানে আজাদি,না মানে গোলামি। একটি ভোট পুরনো বন্দোবস্তকে লাল কার্ড দেখানোর জন্য,আরেকটি ভোট নতুন বন্দোবস্তকে স্বাগত জানানোর জন্য।”
জামায়াত আমীর বলেন,‘‘পেছনে তাকিয়ে থাকার সময় নেই। জাতি, গোষ্ঠী, বর্ণ ও ধর্ম নির্বিশেষে সবাইকে বুকে ধারণ করেই তাদের এই রাজনৈতিক যাত্রা। গত ৫৪ বছরে মানুষ অপশাসন দেখেছে,দুর্নীতি দেখেছে এবং তা দেখে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। এখন জনগণ পরিবর্তন চায়,পুরনো বন্দোবস্তের রাজনীতি আর দেখতে চায় না।’’
যুব সমাজের প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, “আমাদের যুবক-যুবতীরা বেকার ভাতার জন্য আন্দোলন করেনি। তারা হাতে হাতে কাজ চেয়েছে। আমরা তাদের অপমানজনক বেকার ভাতা দেব না। আমরা তাদের হাতে মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান তুলে দেব। তোমরাই দেশ গড়বে,তোমাদের হাতেই আমরা দেশ তুলে দিতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, মা-বোনদের ন্যায্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এমন একটি সমাজ গড়ে তোলা হবে, যেখানে কোনো জালিম নারীদের দিকে চোখ তুলে তাকানোর সাহস পাবে না।
জামায়াত আমীর আরও বলেন, ‘‘উত্তরবঙ্গকে কৃষি ও শিল্পের রাজধানীতে পরিণত করা হবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আমীর আবুজার গিফফারীর সভাপতিত্বে,এ সময় উপস্থিত ছিলেন— জাগপার সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান,চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. কেরামত আলী,চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থী ড. মিজানুর রহমান,চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী মোঃ নুরুল ইসলাম বুলবুল,ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম,চাকসুর সাবেক ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি,ডাকসুর জিএস এম.এম ফরহাদসহ জামায়াত ও জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বক্তব্য শেষে তিনি,চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা তুলে দেন।’’
জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন,‘‘দেশে প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করাই তাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য। রাজার জন্য যে আইন,সাধারণ মানুষের জন্যও সেই একই আইন কার্যকর করতে চান তারা। একজন সাধারণ মানুষ যে অপরাধ করলে যে শাস্তি পাবে,একই অপরাধ যদি দেশের প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্ট করে—তাহলেও কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’’
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন,“যে দেশে ন্যায়বিচার নেই,সে দেশে শান্তি থাকতে পারে না। আমরা সেই ন্যায়বিচার কায়েম করতে চাই। আইন যখন সবার জন্য সমান হবে,তখন চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির পথ বন্ধ হয়ে যাবে। সেদিন চাঁদাবাজদেরও ধরে এনে দেশের কাজে লাগানো হবে,তারাও দেশ গড়ার অংশীদার হবে।”
তিনি বলেন,‘‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দুটি ভোট হবে। এদিন জনগণকে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে। হ্যাঁ মানে আজাদি,না মানে গোলামি। একটি ভোট পুরনো বন্দোবস্তকে লাল কার্ড দেখানোর জন্য,আরেকটি ভোট নতুন বন্দোবস্তকে স্বাগত জানানোর জন্য।”
জামায়াত আমীর বলেন,‘‘পেছনে তাকিয়ে থাকার সময় নেই। জাতি, গোষ্ঠী, বর্ণ ও ধর্ম নির্বিশেষে সবাইকে বুকে ধারণ করেই তাদের এই রাজনৈতিক যাত্রা। গত ৫৪ বছরে মানুষ অপশাসন দেখেছে,দুর্নীতি দেখেছে এবং তা দেখে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। এখন জনগণ পরিবর্তন চায়,পুরনো বন্দোবস্তের রাজনীতি আর দেখতে চায় না।’’
যুব সমাজের প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, “আমাদের যুবক-যুবতীরা বেকার ভাতার জন্য আন্দোলন করেনি। তারা হাতে হাতে কাজ চেয়েছে। আমরা তাদের অপমানজনক বেকার ভাতা দেব না। আমরা তাদের হাতে মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান তুলে দেব। তোমরাই দেশ গড়বে,তোমাদের হাতেই আমরা দেশ তুলে দিতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, মা-বোনদের ন্যায্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এমন একটি সমাজ গড়ে তোলা হবে, যেখানে কোনো জালিম নারীদের দিকে চোখ তুলে তাকানোর সাহস পাবে না।
জামায়াত আমীর আরও বলেন, ‘‘উত্তরবঙ্গকে কৃষি ও শিল্পের রাজধানীতে পরিণত করা হবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আমীর আবুজার গিফফারীর সভাপতিত্বে,এ সময় উপস্থিত ছিলেন— জাগপার সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান,চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. কেরামত আলী,চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থী ড. মিজানুর রহমান,চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী মোঃ নুরুল ইসলাম বুলবুল,ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম,চাকসুর সাবেক ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি,ডাকসুর জিএস এম.এম ফরহাদসহ জামায়াত ও জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বক্তব্য শেষে তিনি,চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা তুলে দেন।’’
জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন,‘‘দেশে প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করাই তাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য। রাজার জন্য যে আইন,সাধারণ মানুষের জন্যও সেই একই আইন কার্যকর করতে চান তারা। একজন সাধারণ মানুষ যে অপরাধ করলে যে শাস্তি পাবে,একই অপরাধ যদি দেশের প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্ট করে—তাহলেও কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’’
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন,“যে দেশে ন্যায়বিচার নেই,সে দেশে শান্তি থাকতে পারে না। আমরা সেই ন্যায়বিচার কায়েম করতে চাই। আইন যখন সবার জন্য সমান হবে,তখন চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির পথ বন্ধ হয়ে যাবে। সেদিন চাঁদাবাজদেরও ধরে এনে দেশের কাজে লাগানো হবে,তারাও দেশ গড়ার অংশীদার হবে।”
তিনি বলেন,‘‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দুটি ভোট হবে। এদিন জনগণকে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে। হ্যাঁ মানে আজাদি,না মানে গোলামি। একটি ভোট পুরনো বন্দোবস্তকে লাল কার্ড দেখানোর জন্য,আরেকটি ভোট নতুন বন্দোবস্তকে স্বাগত জানানোর জন্য।”
জামায়াত আমীর বলেন,‘‘পেছনে তাকিয়ে থাকার সময় নেই। জাতি, গোষ্ঠী, বর্ণ ও ধর্ম নির্বিশেষে সবাইকে বুকে ধারণ করেই তাদের এই রাজনৈতিক যাত্রা। গত ৫৪ বছরে মানুষ অপশাসন দেখেছে,দুর্নীতি দেখেছে এবং তা দেখে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। এখন জনগণ পরিবর্তন চায়,পুরনো বন্দোবস্তের রাজনীতি আর দেখতে চায় না।’’
যুব সমাজের প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, “আমাদের যুবক-যুবতীরা বেকার ভাতার জন্য আন্দোলন করেনি। তারা হাতে হাতে কাজ চেয়েছে। আমরা তাদের অপমানজনক বেকার ভাতা দেব না। আমরা তাদের হাতে মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান তুলে দেব। তোমরাই দেশ গড়বে,তোমাদের হাতেই আমরা দেশ তুলে দিতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, মা-বোনদের ন্যায্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এমন একটি সমাজ গড়ে তোলা হবে, যেখানে কোনো জালিম নারীদের দিকে চোখ তুলে তাকানোর সাহস পাবে না।
জামায়াত আমীর আরও বলেন, ‘‘উত্তরবঙ্গকে কৃষি ও শিল্পের রাজধানীতে পরিণত করা হবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আমীর আবুজার গিফফারীর সভাপতিত্বে,এ সময় উপস্থিত ছিলেন— জাগপার সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান,চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. কেরামত আলী,চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থী ড. মিজানুর রহমান,চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী মোঃ নুরুল ইসলাম বুলবুল,ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম,চাকসুর সাবেক ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি,ডাকসুর জিএস এম.এম ফরহাদসহ জামায়াত ও জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বক্তব্য শেষে তিনি,চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা তুলে দেন।’’