নিজস্ব প্রতিবেদক : মায়ের সামনে দিপালী বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূকে হাতুড়িপেটা করে হত্যার ঘটনায় নিহতের স্বামী রকিবুল গাজীকে (৪০) গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।সিআইডি জানায়, প্রায় ছয় বছর আগে নড়াইলে কালিয়া থানা এলাকার বাসিন্দা রকিবুল গাজীর সঙ্গে বিয়ে হয় দিপালী বেগমের।বিয়ের সময় যৌতুক হিসেবে শ্বশুরবাড়ি থেকে ৫ লাখ চাকা নেন রকিবুল। পরবর্তিতে ব্যবসার জন্য আরও ১০ লাখ টাকা নেন। সম্প্রতি আরও ৪ লাখ টাকা চেয়ে পারিবারিক কলহের জেরে শাশুড়ির সামনেই নিজের স্ত্রীকে হাতুড়িপেটা করে হত্যা করেন রকিবুল।বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মালীবাগে সিআইডি প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর।তিনি জানান, ৬ বছর আগে ভিকটিম দিপালীর সঙ্গে রকিবুলের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় যৌতুক হিসেবে নগদ ৫ লাখ টাকা নেয়। কিছুদিন পর আবার ১০ লাখ টাকা দাবি করে, কিন্তু ভিকটিমের পরিবারের তা দিতে অস্বীকার করে। এরপর থেকে ভিকটিমের ওপর নির্যাতনে বাধ্য হয়ে ভিকটিমের মা বসতবাড়ি বিক্রি করে ১০ লাখ টাকা দেন।এই টাকা দিয়ে রকিবুল বাড়ি, ফার্নিচারের দোকান, কাঠের ডিজাইন করার মেশিন কেনেন। এরপর সে আবার ৪ লাখ টাকা দাবি করে স্ত্রীর ওপর পুনরায় নির্যাতন শুরু করে। ভিকটিমের মা বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য মেয়ের বাড়িতে আসেন। এ নিয়ে কলহের জেরে ০২ সেপ্টেম্বর দুপুরে মায়ের সামনে হাতুড়ি দিয়ে দিপালীকে মাথায় আঘাত করলে মাথার খুলি ফেটে মগজ বের হয়ে যায়। আশেপাশের মানুষ চিকিৎসার জন্য পল্লী চিকিৎসককে ডেকে আনলে ভিকটিমকেকে মৃত ঘোষণা করেন।সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন, এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় দায়েরকৃত মামলাটি তদন্তের ধারাবাহিকতায় সাভারের ধামসোনা এলাকা থেকে পলাতক আসামি রকিবুল গাজীকে গ্রেফতার করা হয়। রকিবুল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন।
আল-ইমরান, বগুড়া: গত ২ জুলাই দিবাগত রাতে বগুড়া সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মামলার বাদী হারুন-উর রশিদ। তিনি মামলায় উল্লেখ করেন কিছুদিন পূর্বে ঢাকা জেলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মোবাইল নম্বর ০১৭৬৭-৯৮৩২৩৭ ব্যবহারকারী ব্যাক্তির সাথে মামলার সাক্ষী দ্বয়ের পরিচয় হয়। সে সময়ে আলাপচারিতার এক পর্যায়ে উক্ত মোবাইল নম্বর ধারী ব্যাক্তি নিজেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চাচাতো ভাই পরিচয় দিয়ে তার নাম ব্যারিস্টার শামীম রহমান বলে জানায়। সে বেশির ভাগ সময়ে ঢাকায় অবস্থান করে বলেও জানায়। সে কেন্দ্রের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সহিত যোগাযোগ করে ভালো পদ-পদবী দিতে পারবে বলে তাদের আশ্বস্ত করে।