চট্টগ্রাম: হাটহাজারী উপজেলার ৩ নম্বর মির্জাপুর ইউনিয়ন। উপজেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ ইউনিয়নটি ১৯৭৪ সালে যাত্রা শুরু করে।৫৩ হাজার ৩৫০ জন বাসিন্দা এখানে। জরাজীর্ণ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভবনের ছোট একটি কক্ষে অফিস করতেন ইউপি চেয়ারম্যান। ওই কক্ষেই গাদাগাদি করে বসে সভা করতেন ১২ ইউপি সদস্য। সেবাগ্রহীতাদের ছিল না কোনো বসার স্থান। বাইরে দাঁড়িয়ে থেকেই সেবা নিতেন তারা। মাঝেমধ্যে বসার জায়গা পেতেন না ইউপি সদস্যরাও। এসব বিষয়ে এলাকাবাসী হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিনকে অবহিত করেন। পরে তাদের দাবির প্রেক্ষিতে তিনি সরেজমিন পরিদর্শন করেন। এরপর এ বছরের শুরুর দিকেই ইউনিয়ন পরিষদকে বদলে দেওয়ার উদ্যোগ নেন তিনি। ইউএনও’র উদ্যোগে সেই ইউনিয়ন পরিষদে নির্মাণ করা হয়েছে সেবাগ্রহীতাদের জন্য পৃথক বসার স্থান। দৃষ্টিনন্দন গোলচত্বর। চেয়ারম্যান এবং ইউপি সদস্যদের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে প্রশস্ত কার্যালয়। যেখানে ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যরা ছাড়াও আরও ২০জন সেবাগ্রহীতা বসতে পারবেন। বদলে দেওয়া হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদের সামগ্রিক চিত্র। ইউএনও রুহুল আমিন বলেন, জনপ্রতিনিধিদের যদি একটা সুন্দর পরিবেশ দিতে পারি তাহলে তারা জনগণকে সুন্দর সেবা দিতে পারবেন। হাটহাজারী মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান গাজী মো. আলী হাসান বলেন, হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন মহোদয় আমাদের জীর্ণ, ছোট একটি ইউনিয়ন পরিষদকে আধুনিক ও বিস্তৃত করে দিয়েছেন। এর জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।