৯ এপ্রিল ২০২৬
আন্তর্জাতিক সমাচার ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা নতুন করে আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি এবং ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষকরা বলছেন, অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে অবরোধ, সামরিক চাপ এবং কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে ইরানকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেছে ওয়াশিংটন। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে তেহরানের অবস্থান আগের তুলনায় আরও দৃঢ় হয়েছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ও এডেন প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ঘিরে উত্তেজনা বিশ্ববাণিজ্যে প্রভাব ফেলছে। জ্বালানি পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এসব রুটে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আঞ্চলিক রাজনীতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ, যেমন সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত, এই পরিস্থিতিতে কৌশলগতভাবে সতর্ক অবস্থান নিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যে তার ঐতিহ্যগত মিত্রদের মধ্যে নতুন ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে, ইরানের সামরিক ও কৌশলগত সক্ষমতা, বিশেষ করে আইআরজিসি (ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস)-এর ভূমিকা, দেশটির অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।
এদিকে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে ভবিষ্যতে নতুন রাজনৈতিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা নির্ভর করবে কূটনৈতিক সমাধান ও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর।
সূত্র : বাংলাভিশন
..