কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকার কেরানীগঞ্জে এক পুলিশ কনস্টেবলের পৈতৃক বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় নারী ও শিশুসহ পরিবারের সদস্যদের ওপর নির্যাতনের ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
রোববার সকাল ১০টার দিকে কেরানীগঞ্জের হযরতপুর এলাকায় ভুক্তভোগীর বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করা হয়। পরিবারটির দাবি, স্থানীয় কৃষকদল নেতা নুর ইসলামের নেতৃত্বে শতাধিক ব্যক্তি পূর্বপরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালায়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অভিযুক্ত নুর ইসলাম ও পুলিশ কনস্টেবল শফিকুল আত্মীয়। পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছে। প্রায় ৫৪ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জাল দলিলের মাধ্যমে জমি নিজের নামে নামজারি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আদালতের স্থগিতাদেশ থাকা সত্ত্বেও হামলাকারীরা ভেকু ব্যবহার করে বসতবাড়ি ও জমিতে থাকা দুটি দোকানঘর ভাঙচুর করে এবং লুটপাট চালায়।
এ সময় পরিবারের নারী সদস্যদের ওপর নির্যাতন, মারধর, মুঠোফোন ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করা হয়। এসময় হামলাকারিদের ইটপাটকেল নিক্ষেপে কয়েকজন আহত হন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে পরিবারের এক সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ কনস্টেবল শফিকুল, যিনি বর্তমানে গাজীপুর পুলিশ লাইনে কর্মরত, অভিযোগ করেন—এ ঘটনায় তিনি প্রত্যাশিত সহায়তা পাননি।
এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে এবং ঘটনার বিষয়ে দুই পক্ষের মামলা নেওয়া হয়েছে এবং সেই মামলায় তারা আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন । নতুন করে কেউ হুমকি দিয়ে থাকলে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, ক্ষতিপূরণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে।
..