২৬ মার্চ ২০২৬
ফরহাদ রহমান-টেকনাফ প্রতিনিধি : কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারের একটি বড় চালান নস্যাৎ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিশেষ অভিযানে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযানের সময় জড়িত সন্দেহভাজন চোরাকারবারীরা পালিয়ে যায়।
বিজিবি জানায়, সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার এবং মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) বিকেলে সাবরাং ইউনিয়নের ক্যাম্পের কাঠি সংলগ্ন লবণ মাঠ এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান চালানো হয়।
গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, জেলের ছদ্মবেশে মিয়ানমার থেকে একটি বড় মাদকের চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। তথ্যটি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে বিজিবির অধিনায়কের পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে সাবরাং বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-৫ পয়েন্ট থেকে প্রায় ১.৫ কিলোমিটার উত্তরে কৌশলগত অবস্থান নেয় একটি আভিযানিক দল।
অভিযান চলাকালে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি জেলের ছদ্মবেশে ঘটনাস্থলে আসে। পরবর্তীতে তারা লবণ শ্রমিকের ছদ্মবেশ ধারণ করে বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া করলে চোরাকারবারীরা একটি কালো প্লাস্টিকের বালতিতে থাকা মাদক লবণ মাঠের কাদা মাটির নিচে লুকিয়ে দ্রুত পাশের গ্রামে পালিয়ে যায়।
পরে বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে কাদা মাটির নিচ থেকে বিশেষভাবে মোড়ানো ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন।
বিজিবি’র ভাষ্য অনুযায়ী, টহল দলের তাৎক্ষণিক ও কৌশলগত পদক্ষেপের কারণে অভিনব পদ্ধতিতে পাচারের চেষ্টা করা এই মাদক চালান জব্দ করা সম্ভব হয়েছে, যা বাহিনীর পেশাদারিত্ব ও কার্যকর গোয়েন্দা তৎপরতার প্রতিফলন।
এ ঘটনায় পলাতক চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানা-এ মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। জব্দকৃত মাদকদ্রব্য আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
..