খাইরুল ইসলাম নোমান-বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডাঃ সাইফুল ইসলাম। হাজার কোটি টাকার মালিক। আয়ের উৎস রোগী ও মানুষের রক্ত।প্রতিদিন তাকে আয় করতে হবে কমপক্ষে লক্ষাধিক টাকা।যেখানে টাকা সেখানে তিনি।
কারাগারের ডাক্তার থাকাকালীন সুস্থ্য হাজতি ও কয়েদীদেরকে টাকার বিনিময়ে অসুস্থ্য দেখিয়ে কারা হাসপাতালে রাখতেন। এই সেই ডাঃ সাইফুল যিনি ওয়ার্ড মাস্টার রাশেদসহ বিভিন্নজনদের মাধ্যমে সাধারন ওয়ার্ড,প্যাথলজি ও ব্লাংড ব্যাংক থেকে দৈনিক এক লাখ টাকার টার্গেট দিতেন।
টার্গেট ব্যর্থ হলে চলে যেতে হবে বা হয়রানীর শিকার হতে হবে।তিনি যোগদানের পর হাসপাতালে রোগীদের দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েকগুন।সব সময় স্বাচিপ নামের কসাইদের নিয়ে টাকা আয়ের ধান্দায় ব্যস্ত থাকেন। মেডিসিন ওয়ার্ডের পুর্ব পাশের গেট স্থায়ী ভাবে আটকানোর জন্য দক্ষিন পাশের থেকে টাকা নিতেন।
অপরদিকে গেট খোলা রাখার জন্য গেটের অপজিটের ফার্ম্মেসী ও প্যাথলজী থেকে টাকা নেন।ভাইকে সুবিধা দেয়ার জন্য ব্যাংকের বুথ দিয়েছেন।মেডিকেলে গাছ করেছেন বিক্রি।তার সমস্যা একটাই সেটা টাকা আর টাকা।টাকা কামাতেই হবে। যত রোগী তত টাকা। হোক ট্রলি থেকে হোক ব্লাড ব্যাংক থেকে।
হাসপাতাল থেকে প্রতিদিন গড়ে দশজন রোগী ভাগিয়ে নেন তার সিএন্ডবি রোডস্থ নিরুপন হাসপাতালে। এখানে জমি কিনে গড়েছেন বহুতল ভবন।প্রায় অর্ধ একর জমি।দিন দিন বাড়ছে তার সম্পদের পাহাড়।আকাশ ছোয়া সম্পদ গড়ার পরিকল্পনায় ব্যস্ত।তার এককালের নিজস্ব দালাল তাজুলও এখন শত কোটি টাকার মালিক।
সাবেক পরিচালক ডাঃ সাইফুল বিএনপি নেতাদের লাখ লাখ টাকা দিয়ে স্বপদে বহাল ছিলেন বলে নিজেই বলে বেড়াচ্ছেন।তার মেয়ে অস্থায়ী ভাবে কর্মরত ব্লাড ব্যাংকে। এখানে টাকা আয়ের বড় বাজার।টাকা যেন নয়ছয় না হতে পারে। বরিশালের ধনকুবদের একজন ডাঃ সাইফুল ইসলাম।
২০২৪ সালের ৩ আগষ্ট বিএনপি ও জামাতকে সন্ত্রাসী ও দেশ ধ্বংসকারী হিসেবে আখ্যায়িত করে একটি শান্তি সমাবেশও করেছিল এই ডাঃ সাইফুল ইসলাম।
..